দেশের টিভি অনলাইন


মুন্সী মেহেদী হাসান , প্রতিনিধি ঢাকা ঃ শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় জাতীয় শ্রমিকলীগ ইয়ারপুর ইউনিয়ন নব্য কমিটি ঘোষনা, পরিচিতি সভা ও আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতিককে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। শুক্রবার বিকালে জিরাবো কুন্ডলবাগ পুকুরপাড় এলাকায় ইউনিয়ন কমিটি কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে, উক্ত পরিচিতি সভার সভাপতিত্ব করেন- জাতীয় শ্রমিকলীগ আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মোঃ ফারুক মাদবর। জাতীয় শ্রমিকলীগ আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ জসিম মাদবরের সঞ্চালনায় এবং থানা কমিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদের পরিচালনায় উক্ত সভায় বঙ্গবন্ধুর জীবনী, বর্তমান সরকারের উন্নয়ন, সফলতা এবং বিভিন্ন অর্জনসহ দলীয় সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এসময় মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ভূইয়াকে সভাপতি ও মোঃ জসিম উদ্দিন মন্ডলকে সাধারন সম্পাদক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় শ্রমিকলীগ ইয়াপুর ইউনিয় কমিটি ঘোষনা করে ফুলের মালা দিয়ে বরনের মাধ্যেমে পরিচিতি পর্ব শেষ হয় । এসময় উপস্থিত জাতীয় শ্রমিকলীগ আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ শফিকুল ইসলাম,মোঃ মামুন মন্ডল,সাধারন সম্পাদক মোঃ বজলুর রহমান, যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক আলতাফ হোসেন মুন্না, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোঃ জুয়েল রানা, আশুলিয়া থানা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ রিপন খাঁন, যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক মোঃ সালাউদ্দিন সরকার , সহ- সভাপতি মোঃ আব্দুর রাকিব। ধামসোনা ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি মোঃ জয়নাল মিয়া, সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুর রহমান, পাথালিয়া ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ মোস্তফা কামাল, আশুলিয়া ইউনিয়ন সিঃ সহ-সভাপতি মোঃ আতাবর সরকার,সহ-সভাপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন বেপারী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহিন ভূইয়াসহ থানা ও ইউনিয়ন কমিটির নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।বিষেশ অতিথি ছিলেন আশুলিয়া থানা যুবলীগের অন্যতম সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম সরকার। এসময় আগামী একাদ্বশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতিককে সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত করার লক্ষ্যে প্রতিটি ওয়ার্ড পর্যায়ে থেকে ঘরে ঘরে বর্তমান সরকারের ব্যাপক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি তুলে ধরার আহব্বান জানান অনুষ্ঠানের সভাপতি মোঃ ফারুক মাদবর। সর্বশেষ মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া মোনাজাতের পর সভার সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।


১০) মাইকেল ক্লার্ক: খেলোয়াড় জীবনে মাইকেল ক্লার্ক বিখ্যাত ছিলেন তাঁর ব্যাটিং ও ফিল্ডিংয়ের জন্য৷ অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম জয়প্রিয় ক্রিকেটারও ছিলেন তিনি৷ লারা বিঙ্গলের সঙ্গে তাঁর প্রেম কাহিনী একসময় অস্ট্রেলিয়ান মিডিয়ার ‘হট টপিক’ ছিল৷ তিনি অবসর নিয়েছেন বছর দুয়েক আগেই৷ তবে আয়ের দিক দিয়েও এখনও সেরা প্রাক্তন অজি অধিনায়ক৷ ২০১৭ তাঁর মোট আয় প্রায় তিন মিলিয়ন ডলার৷

৯) এবি ডি’ভিলিয়ার্স:এবি ডি’ভিলিয়ার্স ব্যাট হাতে নামা মানেই বিপক্ষ বোলারদের হৃদকম্পন শুরু হওয়া৷ দেশ হোক বা আইপিএল, টেস্ট থেকে টি-২০ সব জায়গাতেই সমান সফল ক্রিকেটের সুপারম্যান৷ ক্রিকেটের পাশাপাশি অন্যান্য খেলাতেও দক্ষ ছিলেন তিনি৷ প্রোটিয়া অধিনায়ক তাই নিজের দেশেই নয় ভারতেও অসম্ভব জনপ্রিয়৷ আয়ের ব্যাপারেও তিনি পিছনে ফেলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যান্য ক্রিকেটারকে৷ ২০১৭ তাঁর আয় প্রায় ৩.৬ মিলিয়ন ডলার৷

৮)যুবরাজ সিং: ২০০৭ টি-২০ বিশ্বকাপ৷ সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে হার মেনেছে টিম ইন্ডিয়া৷ তাই সেমিফাইনালে উঠতে হলে পরের ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জিততেই হবে ধোনির দলকে৷ সেই ম্যাচে ভারতের ‘মুশকিল আসান’ রুপে হাজির হয়েছিলেন যুবরাজ সিং৷ সুয়ার্ট ব্রডের ওভারে মারা ছটা ছক্কাই বদলে দিয়েছিল ওই ম্যাচের নক্সা৷ আর টিম ইন্ডিয়া পেয়েছিল বাড়তি আত্মবিশ্বাস৷ যা টুর্নামেন্ট জিততে তাদের সাহায্য করেছিল৷ এই ম্যাচের পর থেকে যুবরাজের গায়ে লেগে গিয়েছিল ‘মিঃ সিক্সার’ এর তকমা৷ এরপর ২০১১ একদিনের বিশ্বকাপেও ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট হয়েছিলেন ‘পাঞ্জাব কা পুত্তর’৷ এরপর ক্যান্সারের জন্য দল থেকে বাদ পড়েছিলেন তিনি৷ এই মারণ রোগ জয় করে আবার দলে ফিরেছেন তিনি৷ এহেন যুবরাজের ফ্যান স্বয়ং বিরাট কোহলিও৷ আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়ও হয়েছিলেন তিনি৷ ‘ব্লু’ জার্সিতে ৩০০ বেশি ম্যাচ খেলা যুবরাজ এই মুহূর্তে ভারতের অন্যতম ধনী খেলোয়াড়৷ ২০১৭ বিজ্ঞাপন ও খেলা থেকে তাঁর মোট আয় ৪ মিলিয়ন ডলার৷

৭)গৌতম গম্ভীর: মহেন্দ্র সিং ধোনির অধিনায়কত্বে অনেক স্মরণীয় মুহূর্ত কাটিয়েছে টিম ইন্ডিয়া৷ আর সেই মাহি জমানার অন্যতম সফল সৈনিক গৌতম গম্ভীর৷ টি-২০ ও একদিনের বিশ্বকাপ ফাইনালে তাঁর খেলা দুটিই অনবদ্য ইনিংসই ভারতকে জয়ের পথ দেখিয়েছিল৷ তাঁর ব্যাটিংয়ে মুগ্ধ হয়ে সতীর্থ বীরেন্দ্র সেহওয়াগ তার নাম দিয়েছিলেন ‘দ্য সেকেন্ড ওয়াল’৷ ২০০৯-১০ টানা পাঁচ টেস্টে সেঞ্চুরি করে রেকর্ড বুকে নাম তুলেছিলেন তিনি৷ তার নেতৃত্বে দু’বার আইপিএলও জিতেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স৷ দর্শক মহলেও অসম্ভব জনপ্রিয় গোতি৷ এহেন গম্ভীর আয়ের নিরিখে দেশের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার৷ ২০১৭ তার মোট আয় পাঁচ মিলিয়ন ডলার৷

৬)শাহিদ আফ্রিদি: শাহিদ ‘বুমবুম’ আফ্রিদি৷ তাঁর নামটাই যথেষ্ঠ৷ নিজের দিনে যেকোনও দলকে একাই হারিয়ে দিতে পারেন পাকিস্তানের ‘নায়ক’৷ গ্যালারি থেকে নারীমহল সবজায়গাতেই সমান জনপ্রিয় আফ্রিদি৷ ২০১৭ ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন ‘বুমবুম’৷ অবসর নিলেও এই মুহূর্তে আয়ের নিরিখে পাকিস্তানের সবচেয়ে ধনী ক্রীড়াবিদ তিনি৷ চলতি বছরে তাঁর মোট আয় ৫.৯ মিলিয়ন ডলার৷

৫)শেন ওয়াটসন: ২০০৩ বিশ্বকাপে স্টিভ ওয়াকে টপকে জাতীয় দলে জায়গা পেয়েছিলেন শেন ওয়াটসন৷ তখন অনেকে আশ্চর্য হয়েছিলেন যে শেন ওয়াটসনটা কে? কিন্তু অজি নির্বাচকরা তাঁর উপর ভরসা রেখে ভূল করেননি সেটা প্রমাণ পরবর্তী কালে প্রমাণ করেছিলেন ওয়াটসন৷ তিনটি বিশ্বকাপ জিতে রিকি পন্টিং,গ্লেন ম্যাকগ্রার মতো কিংবদন্তিদের সঙ্গে একই আসনে বসেছেন এই অলরাউন্ডার৷ এমনিতে ওয়াটসন পরিচিত ছিলেন তাঁর মারকুটে ব্যাটিং ও নিয়ন্ত্রিত পেস বোলিংয়ের জন্য৷ আইপিএলে দু’বার মোস্ট ভ্যালুয়েবল খেলোয়াড়ও নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি৷ জাতীয় দল থেকে অবসর নিলেও এহেন ওয়াটসন আয়ের নিরিখে এখনও অস্ট্রেলিয়ার সেরা ক্রিকেটার৷ ২০১৭ তাঁর মোট আয় ৬ মিলিয়ন৷

৪)বীরেন্দ্র সেহওয়াগ: তিনি নজফগড় নবাব৷ নিজের সেরা সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যান ছিলেন বীরেন্দ্র সেহওয়াগ৷ একমাত্র ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে দু’দুটি ট্রিপল সেঞ্চুরি রয়েছে তাঁর৷ ওয়ান ডে ইতিহাসে শাহিদ আফ্রিদির পর তিনিই একমাত্র ব্যাটসম্যান যার স্ট্রাইক রেট ১০০ উপরে রয়েছে৷ ওয়ান ডে-তে একটি ডাবল সেঞ্চুরিও রয়েছে তাঁর৷ এহেন বীরু আয়ের নিরিখেও ভারতের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার৷ ২০১৭ তাঁর বার্ষিক আয় ৬.১ মিলিয়ন ডলার৷

৩) ক্রিস গেইল: ক্রিস গেইল৷ এই মুহূর্তে ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের মুখ তিনি৷ পরিসংখ্যান অনুযায়ী টি ২০ সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান গেইল৷ শুধু খেলার মাঠই নয় একজন পার্টি লাভার হিসেবেও তিনি বিশ্বখ্যাত৷ টি ২০ সবদেশেরই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেই খেলেছেন তিনি৷ তাই বছরের শেষে বেশ মোটা টাকা আয়ও করেন তিনি৷ ২০১৭ তাঁর মোট আয় ৭.৫ মিলিয়ন ডলার৷

২) মহেন্দ্র সিং ধোনি: ক্যাপ্টেন্সি ছাড়লেও ধোনিকে ছাড়া ভারতের ওয়ান ডে দল এখনও ভাবা যায়না৷ কারণ তার ফিনিশিং স্কিল যেকোনও মুহূর্তে ঘুরিয়ে দিতে পারে ম্যাচের মোড়৷ তাই দর্শকদের কাছে অসম্ভব জনপ্রিয় ‘ক্যাপ্টেন কুল’৷ এই মুহূর্তে তাঁর আয়ও মন্দ নয়৷ ২০১৭ মরশুমে মোট ২৮.৭ মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন তিনি৷

১) বিরাট কোহলি: এই মুহূর্তে ভারতীয় ক্রিকেটের ‘পিন আপ’ বয় বিরাট কোহলি৷ তাই আয়ের নিরিখে বিরাটের স্থান দেশের স্পোর্টসম্যানদের মধ্যে উপরের সারিতেই৷ এক একটি বিজ্ঞাপন পিছু তিনি নেন ৫ কোটি করে৷ ফোবর্সের হিসাব অনুযায়ী বেশ কিছুদিনের মধ্যেই শাহরুখ খানকেও টপকে যাবে তাঁর আয়৷ ২০১৭ তাঁর মোট আয় ৬০ মিলিয়ন ডলার৷-কলকাতা২৪।


নিয়মিত বোলারদের সবাইকেই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বোলিং করালেন অধিনায়ক, কিন্তু কাজের কাজ হচ্ছিলো না কিছুই। শেষ পর্যন্ত নিজেই তুলে নেন বল, চলে আসেন আক্রমণে। বোলিংয়ে এসে নিজের দ্বিতীয় ওভারেই এনে দেন মহামূল্যবান ব্রেকথ্রু।

বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের বাজিতে সাজঘরে ফিরে গিয়েছেন জিম্বাবুয়ের বাঁহাতি ব্যাটসম্যান শন উইলিয়ামস। দিনের শেষ সেশনের পানি পানের বিরতির ঠিক আগের ওভারেই আউট হন উইলিয়ামস। সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১২ রান দূরে ছিলেন তিনি।

দ্বিতীয় সেশনের পানি পানের বিরতির এক ওভার পরেই সিকান্দার রাজার উইকেট তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর পিটার মুর ও উইলিয়ামস মিলে খেলেছেন পাক্কা ২৯ ওভার, পঞ্চম উইকেট জুটিতে যোগ করেছেন ৭২ রান। জুটিতে বেশি আগ্রাসী ছিলেন উইলিয়ামসই।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ব্যক্তিগত দ্বিতীয় ওভারে অফসাইডের ডেলিভারিতে কাট শট খেলতে গিয়ে স্লিপে থাকা মেহেদি হাসান মিরাজের হাতে ক্যাচে পরিণত হন বাঁহাতি উইলিয়ামস। স্লিপে অসাধারণ ক্ষিপ্রতায় ক্যাচটি লুফে নেন তরুণ মিরাজ। আউট হওয়ার আগে ৯ চারের মারে ১৭৩ বলে ৮৮ রান করেন উইলিয়ামস।

এরপর ব্যাট হাতে হাল ধরেন মুর-চাকাভা। তাদের ব্যাটে আবারো ঘুড়ে দাড়ায় জিম্বাবুয়ে। ৮০ ওভার শেষে নতুন বল পেয়েও সুযোগের স্বদব্যবহার করতে পারেনি বাংলাদেশি বোলাররা।

শেষ পর্যন্ত এই দুইজনের জুটিতে প্রথম দিনের ৯১ওভারের খেলা শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ২৩৬ রান দাড় করায় জিম্বাবুয়ে। পিটার মুর ৩৭ ও চাকাভা ২০ রান করে অপরাজিত রয়ে গেছেন।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলো জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ের শুরুটা ভালোই ছিল। দুই ওপেনার হ্যামিল্টন মাসাকাদজা আর ব্রায়ান চারি মিলে সত্যিকার টেস্ট খেলার দিকেই মনযোগ দিয়েছিলেন। আবু জায়েদ রাহি এবং তাইজুল ইসলামের বল প্রথম থেকেই টার্ন করা শুরু করেছিল। ক্রিকইনফোর কনেমন্টারিতেই খেলা শুরুর আগে বলা হয়েছিল, বল টার্ন করার সম্ভাবনা বেশি।

সে কারণেই শুরু থেকে বিধ্বংসী হয়ে ওঠার চেষ্টা আবু জায়েদ আর তাইজুল ইসলামের। আবু জায়েদের একটি বলে হ্যামিল্টন মাসাকাদজা পরাস্ত হলে আউটের আবেদন করে বাংলাদেশ দলের ফিল্ডাররা। পরে রিভিউও নিয়েছিলেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। যদিও তখন দেখা গেলো বল ব্যাটের প্রান্ত ছুঁয়েছিল। ফলে নট আউট।

তবে মাসাকাদজা আর চারি জুটিকে খুব বেশিদুর এগুতে দিলেন না তাইজুল ইসলাম। ইনিংসের ১১তম ওভারে এসে ৩৫ রানের জুটিটা ভেঙে দিলেন তিনি। সরাসরি বোল্ড করলেন ব্রায়ান চারিকে। খুব বাজেভাবে স্লগ করতে গিয়েছিলেন চারি। বল ব্যাট মিস করে সোজা মিডল স্ট্যাম্প ভেঙে দেয়। বলা যায়, তাইজুলকে উইকেটটা উপহারই দিয়ে আসলেন ব্রায়ান চারি।

ওয়ানডাউনে ব্যাট করতে নামলেন জিম্বাবুয়ের নির্ভরযোগ্য ব্যাটনসন ব্রেন্ডন টেলর। ওয়ানডে সিরিজে দারুণ ব্যাটিং করেছিলেন তিনি। এ কারণে হ্যামিল্টন মাসাকাদজার সঙ্গে তার জুটিটা ভালোই হবে- এটাই কাম্য ছিল জিম্বাবুইয়ানদের। কিন্তু তাইজুলের ঘূর্ণির কাছে আবারও পরাস্ত হতে হলো জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনআপকে।

মাসাকাদজার সঙ্গে মাত্র ১২ রানের জুটি গড়েন টেলর। এরই মধ্যে ইনিংসের ১৭তম ওভারের দ্বিতীয় বলটিকে ফরোয়ার্ড ডিফেন্স করতে চেয়েছিলেন টেলর। কিন্তু শট লেগে দাঁড়ানো নাজমুল হোসেন শান্ত মাটি কামড়ানো শটটি তালুবন্দী করে ফেলেন। আম্পায়ার আউট দিলেও কিছুটা সংশয় ছিল টেলরের মনে। টিভি রিপ্লেতে দেখা গেলো সত্যি সত্যি আউট। দুর্দান্ত বোলিং করলেন তাইজুল। ক্যাচটাও ছিল দুর্দান্ত। ৬ রান করে বিদায় নেন ব্রেন্ডন টেলর।




সম্পাদক ও প্রকাশক:

জহির উদ্দিন হাওলাদার

প্রধান কার্যালয়ঃ

ই-মেইলঃ dsangbad@gmail.com

Copyright © 2018 All rights reserved www.desher.tv

Design & Developed by Md Abdur Rashid, Mobile: 01720541362, Email:arashid882003@gmail.com